Home / মিডিয়া নিউজ / বলিউডের গ্ল্যামার দুনিয়াকে চিরতরে বিদায় জানিয়েছেন যেসব তারকারা

বলিউডের গ্ল্যামার দুনিয়াকে চিরতরে বিদায় জানিয়েছেন যেসব তারকারা

মিডিয়া পাড়া এখন অভিনেত্রী সানা খানকে নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত। কারণ তিনি প্রথমে মিডিয়া

ছাড়লেন এবং পরে মুফতি আনাসকে বিয়ে করলেন। মিডিয়া ছেড়ে সানা ধর্মের পথ অবলম্বন করেছেন, এ নিয়েও চর্চা চলছে।

তবে শুধু সানা নন, এমন অনেক ফিল্ম স্টার আছেন যারা আধ্যাত্মিকতার পথে হেঁটেছেন। চলুন জেনে নেয়া যাক তাদের সম্পর্কে-

মমতা কুলকার্নি: বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেত্রী মমতা কুলকার্নি। নব্বইয়ের দশকে বহু হিট ছবির

নায়িকা ছিলেন তিনি। তার শরীরী গঠন ও বলিষ্ঠ আচরণের জন্য খুবই পরিচিত ছিলেন মমতা। বহুদিন আগেই তিনি ফিল্মি দুনিয়া ছেড়েছেন। কিছু বছর আগে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান যে, তিনি সন্ত চৈতন্য গগঙ্গিরি নাথের শিষ্যা হয়ে সন্ন্যাসী হয়েছেন।

জায়রা ওয়াসিম: দঙ্গল ও সিক্রেট সুপারস্টারের মতো ছবিতে অভিনয় করা জাইরা বড় পর্দাকে বিদায় জানিয়েছেন। সম্প্রতি, তিনি ভক্তদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ার সমস্ত ফ্যান পেজ থেকে তার ছবি মুছে দিতে।

বিনোদ খান্না: ওশো প্রতিষ্ঠাতা রজনীশের দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন অভিনেতা বিনোদ খান্না। আধ্যাত্মিক শান্তির জন্য তিনি ১৯৮২ সালে মুম্বই ছেড়েছিলেন।

সাক্ষি খান্না: বিনোদ খান্নার ছেলে সাক্ষি খান্নাও বাবার মতো আধ্যাত্মিকতার পথ বেছে ছিলেন। জানা গিয়েছে যে, সাক্ষী আধ্যাত্মিকতার পথ ধরে ওশো ইন্টারন্যাশনালে যোগ দিয়েছেন।

সোফিয়া: টহসহ ছিলেন একজন সঙ্গীতশিল্পী, অভিনেত্রী এবং টিভি পারসোনালিটি। তবে সম্পর্কের ক্ষেত্রে অসফল হয়ে তিনি ধর্মের পথ বেছে নেন। জীবনে শান্তি পেতে তিনি নান হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

আনু আগরওয়াল: আশিকি ছবি খ্যাতি আনু আগরওয়াল তার কেরিয়ার অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়েছিল। কিন্তু তার জীবনে এমন একটি সময় এসেছিল যখন তিনি চিরকালের জন্য বলিউড ইন্ডাস্ট্রিকে বিদায় জানিয়েছিলেন এবং আধ্যাত্মিকতা ও যোগকে তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।

বার্খা মদন: ১৯৯৪ সালে মিস ইন্ডিয়া চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছানো মডেল বার্খা মদন মডেলিংয়ের পাশাপাশি কয়েকটি হিন্দি ও পাঞ্জাবি ছবিতে কাজ করেছিলেন। অক্ষয় কুমারের খিলাড়িও কা খিলাড়িতে দেখা গিয়েছিল বার্খা মদনকে। বৌদ্ধধর্ম দ্বারা প্রভাবিত, ২০১২ সালে বার্খা এটিকে তার জীবনের লক্ষ্য করে তোলেন এবং গ্ল্যামার জগতকে বিদায় জানান।

বিজয় আনন্দ: ‘প্যায়ার তো হোনা হি থা’ ছবিতে কাজলের প্রেমিকের চরিত্রে রাহুল অর্থাত্‍ বিজয় আনন্দ অল্প সময়ের মধ্যেই সিনেমা জগত ছেড়ে চলে যান। বিজয় আধ্যাত্মিকতার পথ বেছে সেই মতো জীবনযাপন শুরু করেছিলেন।

Check Also

যে কারণে সিনেমায় এসেছিলেন হুমায়ূন ফরীদি

মঞ্চ থেকে চলচ্চিত্র অভিনয়ের সবখানে তিনি রাজত্ব করেছেন দুর্দান্ত প্রতাপে। কয়েক দশক অভিনয়ে তিনি মাতিয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.